
প্রিন্ট: ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৩৭ এএম

যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৫, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
আরও পড়ুন
ফেনীর দাগনভূঞায় রাজাপুর ইউনিয়নের কামারপুকুরিয়ায় আসন্ন ঈদের জামাতের স্থান নিয়ে শনিবার সকালে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ২৫ জন আহত হয়েছেন। পিরোজপুরের কাউখালীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় এক নেতার পোস্টার লাগানোর সময় সংঘর্ষে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ৫ জন আহত হয়েছেন। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
দাগনভূঞা (ফনী) : বিএনপির আহত নেতাকর্মীরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে দলের নেতা মিলন জানিয়েছেন।
উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নে পূর্বে প্রথা অনুযায়ী কামারপুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আসন্ন ঈদের জামাত অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতি চলছিল। স্থানীয় আওয়ামী লীগের সুফিয়ান এতে বাধা দেয়। সুফিয়ানের দাবি কামারপুকুরিয়ায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জয়নাল আবদিন মামুনের বাড়ির মসজিদ মাঠে জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ নিয়ে দু’পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। আহতরা হলেন-যুবদলের উপজেলা যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল খায়ের মিলন, শামিম ভূঞা, ছোটন, শফিকুর রহমান, জাহিদ ও মাঈন উদ্দিনসহ ২৫ জন। দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফর রহমান যুগান্তরকে বলেন, আহত জাহিদ বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।
পিরোজপুর ও কাউখালী : কাউখালীতে সংঘর্ষের পর একটি কাঠের ঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। আহতদের পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ও খুলনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন রাঢ়ীর হাট এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর রাঢ়ী বাড়িতে আগুন দিয়েছে দৃর্বৃত্তরা।
হামলার শিকার ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জানায়, রাতে তারা একই এলাকার স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন এর ঈদ শুভেচ্ছার পোস্টার লাগানোর জন্য রাঢ়ীর হাটে যায়। এ সময় উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি রাসেল রাঢ়ী ও তার ভাই যুবলীগ নেতা রহমত রাঢ়ীর নেতৃত্বে একদল যুবক হামলা করে। কাউখালী থানার ভারাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান বলেন, এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।