Logo
Logo
×

খেলা

অনূর্ধ্ব-১৮ ফুটবল ফাইনাল আজ

গুরু-শিষ্যের লড়াই

Icon

স্পোর্টস রিপোর্টার

প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০১৯, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

গুরু-শিষ্যের লড়াই

ঝলমলে সোনালি ট্রফি। সেদিকে তাকিয়ে গুরু-শিষ্য। কামাল বাবু ও আকবর হোসেন রিদন। সাইফ স্পোর্টিংয়ের কোচ কামাল বাবু এবং নোফেল স্পোর্টিংয়ের রিদন, দু’জনেরই চাই ট্রফি। ওয়ালটন অনূর্ধ্ব-১৮ ফুটবল শিরোপার ফাইনাল গুরু-শিষ্যেরও লড়াই। সোমবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন দু’জন। এ সময় বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী এমপি ও পৃষ্ঠপোষক ওয়ালটনের এফএম ইকবাল বিন আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন। আজ বেলা ৩টায় কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু হবে।

পেশাদার লিগের জন্য কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ খরচ করে দল গঠন করেন ক্লাব কর্তারা। কিন্তু সাইফ ও নোফেলের অনূর্ধ্ব-১৮ দলের অন্য কাহিনী। আকবর হোসেন রিদন দল গুছিয়েছেন ঢাকার বাইরে থেকে খেলোয়াড় সংগ্রহ করে। রিদনের কথায়, ‘অনেক কষ্টে আমি দল গুছিয়েছি। নোয়াখালীর ১১ জনকে নেয়ার পর বাকি ফুটবলারদের খোঁজে মাঠে নেমে পড়ি। এরপর বিভিন্ন জেলা থেকে বাকিদের সংগ্রহ করেছি।’ তিনি যোগ করেন, ‘প্রিমিয়ার লিগ থেকে রেলিগেশনে যাওয়ার পর এই টুর্নামেন্টে নোফেল স্পোর্টিং ক্লাবকে কেউ গণনায় ধরেনি। আন্ডারডগ হিসেবে শুরু করেছিলাম। এটাই আমাকে এতদূর আসতে সাহায্য করেছে। তবে আমার বিশ্বাস ছিল ফাইনালে খেলব।’ নিয়মাবর্তিতা ও পরিশ্রমই নাকি তার দলকে পৌঁছে দিয়েছে ফাইনালে। রিদনের কথায়, ‘কমলাপুর স্টেডিয়ামে শত কষ্টের মধ্যেও ছেলেদের আমি দু’বেলা অনুশীলন করিয়েছি। ওরা খুব কষ্ট করে আজ ফাইনালে এসেছে। আমি গুরু কামাল বাবুর টেকনিক জানি, ফাইনালে চেষ্টা করব উনাকে হারাতে।’

অন্যদিকে সাইফ স্পোর্টিংয়ের যুব দল গরিব ও এতিমখানার খেলোয়াড়দের নিয়ে, জানালেন কোচ কামাল বাবু। তার কথায়, ‘সাইফ স্পোর্টিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার নাসির চৌধুরী আমাকে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ছেলেদের নিয়ে দল গড়তে বলেছেন। আমি সুবিধাবঞ্চিত ও এতিমখানার ছেলেদের নিয়ে এই দল তৈরি করেছি। যার মধ্যে ৮৫ ভাগ রিকশাওয়ালার ছেলে। অনেক কষ্ট করেছে ওরা। এদের মধ্য থেকে আমি নয়জনকে প্রিমিয়ার লিগে বিভিন্ন দলে খেলার সুযোগ করে দিয়েছি। ওরাই আমার বাজির ঘোড়া।’ তিনি যোগ করেন, ‘দিন শেষে সবার একই ইচ্ছা, আমরাও শিরোপার জন্য খেলব।’

সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘মৌসুমের শেষ টুর্নামেন্ট এটি। বর্ষপঞ্জিতে আরও টুর্নামেন্ট ছিল। কিন্তু আমরা তা মাঠে গড়াতে পারিনি। এ টুর্নামেন্টটিও লিগ আকারে হওয়ার কথা ছিল। এবার না পারলেও আগামীতে চেষ্টা করব। ওয়ালটন আমাদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।’ তিনি যোগ করেন, ‘ফাইনাল ম্যাচ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামেই আয়োজনের কথা ছিল। কিন্তু বৃষ্টি এবং ভুটানের বিপক্ষে জাতীয় দলের প্রীতি ম্যাচের কারণে কমলাপুরে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হচ্ছে।’

Jamuna Electronics

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম