
প্রিন্ট: ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০২:৪৬ পিএম

বরিশাল ব্যুরো
প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০১৮, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
আরও পড়ুন
বরিশালে রিকশা শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষে পুলিশের ৭ কর্মকর্তাসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাসদ বরিশাল জেলা শাখার সদস্য সচিব ও সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তীসহ ৬ জনকে আটক করে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অন্য আটককৃতরা হল- বাসদ বরিশাল জেলা শাখার আহ্বায়ক ইমরান হাবিব রুমন, বরিশাল জেলা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের অর্থ সম্পাদক নাসরিন আক্তার টুম্পা, জেলা শ্রমিক ফ্রন্টের অর্থ সম্পাদক মিঠুন চক্রবর্তী, সদস্য জাকির হোসেন ও নূর ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বরিশাল নগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উচ্ছেদ বন্ধ ও অবিলম্বে লাইসেন্স দেয়ার দাবিতে অশ্বিনী কুমার হলের সামনে মানববন্ধন করে ব্যাটারিচালিত রিকশা শ্রমিক-মালিক সংগ্রাম কমিটি। এর সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের নেতাকর্মীরা। এরপর থালা-বাসন নিয়ে ভুখামিছিল বের করে রিকশা শ্রমিকরা। মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সামনে গিয়ে অবস্থান নেয়। এরপর নেতাকর্মীরা সিটি কর্পোরেশনে স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপি প্রদান শেষে রিকশা শ্রমিক ও বাসদের নেতাকর্মীরা বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় পুলিশ তাদের স্থান ত্যাগ করতে বললে প্রথমে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পুলিশ রিকশা শ্রমিকদের ওপর লাঠিচার্জ করলে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় গ্রুপের ২০ জন আহত হয়েছেন।
পুলিশ সদস্যদের মধ্যে আহতরা হলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের সহকারী কমিশনার শাহনাজ পারভীন, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মো. আওলাদ হোসেন, এসআই নজরুল ইসলাম, কনস্টেবল শারমিন, ইতি, সুরমা ও সাদিয়া। এছাড়া রিকশা শ্রমিক ও বাসদের প্রায় ১৩ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
বরিশাল সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি সন্তু মিত্র বলেন, পুলিশ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আমাদের নেতাকর্মী ও রিকশা শ্রমিকদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে। বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মো. আওলাদ হোসেন জানান, আত্মরক্ষার্থে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।