
ইয়ানিক সিনার
ক’দিন আগেই অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয় করেছিলেন। কোথায় গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের আনন্দ-উৎসব করবেন, না উল্টো শুনতে হলো শাস্তির খবর। বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা ইয়ানিক সিনারকে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ মে পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এই শাস্তির কারণ–ডোপ পাপ।
২০২৪ সালের মার্চে সিনারের দেহে নিষিদ্ধ স্টেরয়েড ক্লোস্টেবলের উপস্থিতি ধরা পড়ে। একটি স্বাধীন প্যানেল আগেই তাকে নির্দোষ ঘোষণা করেছিল, কারণ তার শারীরিক থেরাপিস্টের দেওয়া ওভার-দ্য-কাউন্টার স্প্রে থেকে অনিচ্ছাকৃতভাবে এই নিষিদ্ধ উপাদান শরীরে প্রবেশ করেছিল।
তবে ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি (ওয়াডা) বিষয়টি নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল না। তারা স্বাধীন প্যানেলের রায়ের বিরুদ্ধে কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টসে (সিএএস) আপিল করে।
সংস্থাটির ভাষ্য, সিনার সজ্ঞানে ডোপিং না করলেও দলীয় সদস্যদের গাফিলতির দায় তাকে নিতে হবে। পরে এ বিষয়টি সিনারের সঙ্গে সমঝোতার পর তাকে তিন মাস নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিনার শাস্তি মেনে নিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে ইতালিয়ান তারকা বলেছেন, ‘এটি প্রায় এক বছর ধরে আমাকে মানসিকভাবে ভুগিয়েছে এবং পুরো আইনি প্রক্রিয়া শেষ হতে বছর শেষ হয়ে যেত। আমি সবসময়ই স্বীকার করেছি যে, আমার দলের জন্য আমিই দায়ী। তাই খেলাধুলার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ওয়াডা-এর প্রস্তাব মেনে নিয়েছি।’
সম্প্রতি টেনিস দুনিয়ায় ডোপিং কেলেঙ্কারির ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত নভেম্বরে তখনকার নারীদের ওয়ার্ল্ড নাম্বার ওয়ান ইগা শিয়াতেকও একই কারণে এক মাসের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন।