Logo
Logo
×

রাজনীতি

কফিনবন্দি হয়ে চট্টগ্রামে ফিরেছেন নোমান

Icon

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:৩২ পিএম

কফিনবন্দি হয়ে চট্টগ্রামে ফিরেছেন নোমান

জাতীয় পতাকা দিয়ে মোড়ানো কফিনবন্দি হয়ে চট্টগ্রামে পৌঁছেছে সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহ আল নোমানের মরদেহ।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় ঢাকা থেকে মরদেহ নিয়ে আসা হেলিকপ্টারটি চট্টগ্রাম আউটার স্টেডিয়ামে অবতরণ করে। এ সময় ছেলে সাঈদ আল নোমানসহ পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন।

প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখতে মরদেহ ঘিরে ভিড় করেছেন নেতাকর্মীরা। শুক্রবার বাদ জুমা নগরীর জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে জানাজা শেষে নেওয়া হবে গ্রামের বাড়ি রাউজানে। বিকালে রাউজানের গহিরা স্কুলমাঠে জানাজা শেষে গহিরায় পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে এই জননেতাকে।

আবদুল্লাহ আল নোমানের একান্ত সচিব জানান, চট্টগ্রামে মরদেহ আনার পর কাজির দেউড়ি ভিআইপি টাওয়ারের বাসভবন প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়। এরপর শ্রদ্ধা জানানোর জন্য শুক্রবার সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মরদেহ নেওয়া হবে। এরপর সকাল ৯ থেকে ১০টা পর্যন্ত ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গণে বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্র, শিক্ষক ও কর্মচারী-কর্মকর্তাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয় নসিমন ভবন মাঠে নেওয়া হবে।

এদিন দুপুর ১টায় মরদেহ জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ময়দানে রাখা হবে এবং পরে দুপুর আড়াইটায় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সর্বশেষ বাদে আসর রাউজান গহিরা স্কুলমাঠে মরহুমের জানাজা শেষে গহিরায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন আবদুল্লাহ আল নোমানের। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে আবদুল্লাহ আল নোমান বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সত্তরের দশকের শেষদিকে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাগদলের সঙ্গে ‘ভাসানী ন্যাপ’ একীভূত হয়। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের হাত ধরে ন্যাপ নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান যোগ দেন বিএনপিতে। আমৃত্যু তিনি এ দলের সঙ্গেই ছিলেন।

সর্বশেষ তিনি দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। আশি-নব্বইয়ের দশক, এর পরবর্তী আরও অন্তত এক দশক চট্টগ্রামে বিএনপির রাজনীতি আবর্তিত হয়েছে আবদুল্লাহ আল নোমানকে ঘিরেই। ১৯৯১ ও ২০০১ সালে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন আবদুল্লাহ আল নোমান। দুবারই তিনি বিএনপির মন্ত্রিসভার একজন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে তিনি ডবলমুরিং-হালিশহর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

গত মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন আবদুল্লাহ আল নোমান। প্রবীণ এ রাজনীতিবিদের মৃত্যুর খবরে চট্টগ্রামসহ সারা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে।

Jamuna Electronics

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম