
প্রিন্ট: ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৫৮ এএম
রাবি জাবি বেরোবি ও ইবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
দিল্লির প্রেসক্রিপশনে এ দেশে আর কোনো রাজনীতি চলবে না

যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২৫, ০৭:২৫ পিএম

আরও পড়ুন
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, বেগম রোকেয়া ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। শুক্রবার এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের আওয়ামী লীগকে আপাতত নিষিদ্ধের কথা ভাবছে না সরকার- বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সারা দেশে দলটিকে নিষিদ্ধের দাবি ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
রাবি: আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন রাবির শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (২১ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। পরে মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক হয়ে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক দিয়ে তালাইমারি মোড়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সমন্বয়ক মাহায়ের ইসলাম। এ সময় বক্তব্য দেন- সংগঠনের বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীব, সালাউদ্দিন আম্মার, নুরুল ইসলাম শহীদ প্রমুখ।
আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনকারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের প্রশ্ন তো আমরা ৫ আগস্টে নিশ্চিত করে ফেলেছি। আওয়ামী লীগকে আর বাংলার মাটিতে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না। আওয়ামী লীগ যদি রাজনীতিতে ফিরে আসতে চায়, তাহলে দুই হাজার শহিদের জীবন ফিরিয়ে দিতে হবে। ত্রিশ হাজার আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারী ভাইবোনদের হাত-পা ফিরিয়ে দিতে হবে, দৃষ্টিশক্তি হারানো ভাইবোনদের চোখ ফিরিয়ে দিতে হবে। আওয়ামী লীগ রাজনীতি করবে কিনা, সেটি জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে। আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে সেনাবাহিনীর ক্যান্টনমেন্ট হোক কিংবা আওয়ামী লীগের দোসর কোনো রাজনৈতিক দল হোক- তাদের বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেওয়া হবে না।’
আওয়ামী লীগকে নাৎসি পার্টি হিসেবে নিষিদ্ধ করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই বলে মন্তব্য করেন মেহেদী সজীব বলেন, আমি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই, যেদিন আবু সাঈদের রক্তে রংপুরের জমিন লাল হয়েছে, সেদিনই আওয়ামী লীগ রাজনীতি করার অধিকার হারিয়েছে। একটি রাজনৈতিক দল যখন রাজনীতি বাদ দিয়ে গণহত্যা, গুম, খুন ও ত্রাসের রাজনীতিতে মেতে উঠে, তখন সেটাকে নাৎসি পার্টি হিসেবে নিষিদ্ধ করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকতে পারে না।
জাবি: এদিকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য প্রত্যাখ্যান ও নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন জাবির শিক্ষার্থীরা। বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে মিছিল শুরু হয়ে শহিদ মিনার, নতুন কলা ভবন ঘুরে পুনরায় প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়। এ সময় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিলে যোগদান করেন।
এ সময় ‘আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করো, করতে হবে’ ‘আওয়ামী লীগের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’ ‘আওয়ামী লীগের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান ’ ‘ওয়ান টু থ্রি ফোর, আওয়ামী লীগ নো মোর’ ‘গো ব্যাক গো ব্যাক, আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগ’ ‘জেনারেল ওয়াকার, সাবধান সাবধান!’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে জাতীয় নাগরিক কমিটির সাভার প্রতিনিধি জুলকারনাইন বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করতে হবে। আমরা রক্ত দিয়েছি, আমরা দু-হাত পেতে গুলি খেতে প্রস্তুত আছি।
সিটি ইউনিভার্সিটির বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক ইমন বলেন, আমরা সেই ৫ আগস্ট থেকেই দেখছি আওয়ামী লীগকে পুর্নবাসন করার ষড়যন্ত্র। সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে যদি প্রধান উপদেষ্টা তাল মিলাতে চায়, তাহলে আমরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে নাই। ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রমাণ হয়ে গেছে, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের মানুষ আর চায় না। দিল্লির প্রেসক্রিপশন এ দেশে আর চলতে দেওয়া হবে না।
গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদ সিয়াম বলেন, যেই ফ্যাসিস্ট দল ১৩ সালে শাপলাতে ও ২৪-এর ছাত্র-জনতার ওপর একাধিক গণহত্যা চালিয়েছে, একাধিকবার গণহত্যা চালানোর পর এ দলকে নিষিদ্ধ করার জন্য আর কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই। আমরা মনে করি ৫ আগস্ট শেখ হাসিনাকে বিদায়ের মাধ্যমে এ দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখ্যান করেছে। এ সরকারকে বলে দিতে চাই, আওয়ামী লীগকে ফেরত আনার পরিকল্পনা যদি আপনারা করেন তাহলে ছাত্র-জনতা কতটা ভয়ংকর হতে পারে তা আপনারা ২৪-এ দেখেছেন। সেনাবাহিনীকে বলে দিতে চাই, ঢাকার বাহিরের অন্য কোনো এজেন্সিতে যদি আপনারা চলেন তাহলে আপনাদেরও ছেড়ে দেব না। আমরা ভুলি নাই কিভাবে আপনারা আমাদের ওপর গুলি করেছেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনাকে সেভ অ্যাকজিস্ট দিয়েছেন। কেউ যদি ভারতের প্রেসক্রিপসনে চলতে চায় এবং আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধে বাধা প্রদান করে, আমরা তাদের ফ্যাস্টিসদের পথে পাঠিয়ে দেব। এ সরকারের কাছে আমাদের আহ্বান অতিদ্রুত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করুন।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা গণভোটে রায় দিয়েছিল বাংলাদেশে আর আওয়ামী লীগের রাজনীতি চলবে না। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে দেওয়া মানে শহিদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা। আমাদের শরীরে এক ফোটা রক্ত থাকা পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতি আর চলবে না। কচুখেত, ওয়াশিংটন কিংবা দিল্লির প্রেসক্রিপশন এ দেশে আর চলবে না। ড. ইউনূসকে বলে দিতে চাই- দিল্লির প্রেসক্রিপশন দেশ চালানোর জন্য আপনাকে ক্ষমতায় বসানো হয়নি। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ না করা পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জাহাঙ্গীরনগর শাখার আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান উজ্জল বলেন, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গণঅভ্যুথানের স্পিডকে ধারণ করতে পারে নাই। আমরা গতকাল দেখেছি প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন- আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নাই। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বন্দোবস্ত এ দেশের জনগণ ৫ আগস্ট করে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগকে গণহত্যাকারী দল হিসেবে চিহ্নিত করে দ্রুত সময়ের ভেতর নিষিদ্ধ করতে হবে। পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রকে বলতে চাই, গত ১৫ বছর আপনারা যে সুবিধা ভোগ করেছেন, সেই সুবিধা আর নিতে পারবেন না। দিল্লির প্রেসক্রিপশনে এ দেশে আর কোনো রাজনীতি চলবে না। এ দেশে কারা রাজনীতি করবে সেটা ঠিক করবে এ দেশের জণগণ।
গণঅভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক ও ৪৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী আবদুর রশিদ জিতু বলেন, আপনারা জানেন ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান করেছিল এ দেশের ছাত্র-জনতা, সুতরাং ছাত্র-জনতা ঠিক করবে এ দেশে আওয়ামী লীগ রাজনীতি করতে পারবে কিনা। এ গণহত্যাকারী ফ্যাস্টিস দলকে যে বা যারা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবে, আমাদের পরবর্তী যুদ্ধ হবে সেই ব্যক্তি কিংবা দলের বিপক্ষে। আমরা জীবন দিয়েছি, দরকার হলে আবারও জীবন দেব কিন্তু এ দেশে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না। আজকের এ কর্মসূচিতে প্রধান উপদেষ্টার দেওয়া বক্তব্যকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলাম।
উল্লেখ্য, গতকাল প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের- আওয়ামী লীগকে আপাতত নিষিদ্ধের কথা ভাবছে না সরকার, বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সারা দেশে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি ওঠে। সেই হিসেবে জাবিতে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা।
বেরোবি: বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এই মানববন্ধন থেকে তারা গণহত্যাকারী এবং ফ্যাসিবাদী ওই দলকে ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্রকারীদের বিচার দাবি করে।
শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের সামনে বিভিন্ন প্লাকার্ড হাতে নিয়ে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে অংশ নেন। এ সময় তারা ক্যান্টনমেন্ট না রাজ পথ, রাজপথ রাজপথ, সেম সেম ক্যান্টনমেন্ট, গণহত্যার বিচার চাই, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করো করতে হবে। দিল্লি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ, দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ বলে বিভিন্ন স্লোগান দেয়।
এ সময় এক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহানগর সদস্য সচিব রহমত আলী, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সমন্বয়ক শামসুর রহমান সুমন, জাহিদ হাসান জয়, জাকের হোসেন পাশা, আশিক মিয়া প্রমুখ।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক শাসমুর রহমান সুমন তার বক্তব্যে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের গণহত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত যে বা যারাই আওয়ামী লীগকে পুনবার্সিত করার চেষ্টা করবে। তাদেরকে ছাত্র জনতা প্রতিহত করবে। আওয়ামী লীগ যে গণহত্যা চালিয়েছে বিশ্বে এর আর কোনো নজির নেই। তারা শিশু কিশোর, যুবক, তরুণ, ছাত্র, জনতা ও কৃষক মজুরসহ ২ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। শুধু তাই নয় ৩০ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। সেই আওয়ামী লীগকে কোনোভাবেই বাংলার মাটিতে পুনর্বাসন করা হবে না। সেনাবাহিনী আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তাদের যারা কলুষিত করার চেষ্টা করছে। তাদেরকেও আমরা প্রতিহত করব।’
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহানগর সদস্য সচিব রহমত আলী বলেন, প্রয়োজনে বাংলাদেশের ৪ কোটি তরুণ জীবন দেবে। তবু আর জুলাই ফেরতে দেব না। ক্যান্টনমেন্টের প্রেস ক্রিপশনে বাংলাদেশ চলবে না। বাংলাদেশ চলবে জনগণের ইচ্ছানুযায়ী। যারা অপতৎপরতায় লিপ্ত তাদের বিরুদ্ধে আবারো ছাত্র-জনতা মাঠে দাঁড়াবে। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতেই হবে। রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি তাতেই আওয়ামী লীগকে ফেরাতে যারা কলকাঠি নাড়ছেন তাদের বিরুদ্ধে রাজপথে থাকব আমরা। গণহত্যাকারীদের বিচার ছাড়া বাংলার জমিনে আর কিছুই মানি না আমরা।’
ইবি: আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি করছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার ফজরের পর থেকে প্রশাসন ভবনের নিচে অবস্থান করছেন তারা। একইসঙ্গে তারা রাত ৮টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। দাবি আদায় না হলে পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানিয়েছেন। কর্মসূচিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবির সমন্বয়ক এস এম সুইট, সহসমন্বয়ক নাহিদ হাসান, তানভীর মাহমুদ, ইয়াসিরুল কবির, গোলাম রব্বানী ও ইসমাইল হোসেন রাহাতসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, খুন, গুম, হত্যা ও ধর্ষণসহ প্রত্যেকটি অপকর্মের সঙ্গে আওয়ামী লীগ জড়িত। এমন কোনো অপরাধ নেই যে কাজের সঙ্গে আওয়ামী লীগ জড়িত নেই। তাছাড়া জুলাই অভ্যুত্থানে পতিত শেখ হাসিনা সরকার গণহত্যা চালিয়েছে। তারপরেও আওয়ামী লীগের বিন্দুমাত্র অনুশোচনা নেই। বরং তাদের সমর্থকরা এখনো দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। ভারতসহ বিদেশি শক্তির সহায়তায় তারা বিভিন্নভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগকে ক্যান্টনমেন্ট থেকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা যে ধরনের অপরাধ ও অপকর্ম করেছে এরপরে তাদের পুনর্বাসনের বা সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর কোনো এখতিয়ার নেই। আমাদের দাবি অনতিবিলম্বে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। তা না হলে জুলাই বিপ্লবের হাজার হাজার ভাইবোনের রক্ত বৃথা চলে যাবে।