Logo
Logo
×

জাতীয়

আইনজীবী শিশির মনির ভাই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন: আবরার ফাইয়াজ

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:২৫ পিএম

আইনজীবী শিশির মনির ভাই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন: আবরার ফাইয়াজ

আইনজীবী শিশির মনির ও আবরার ফাহাদের ছোট ভাই ফাইয়াজ। ফাইল ছবি

আইনজীবী শিশির মনির ভাই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন শহিদ আবরার ফাহাদের ছোট ভাই ও বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাইয়াজ।

বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়ে তিনি লেখেন, ‘আইনজীবী শিশির মনির ভাই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং উনার পোস্টের বিষয়েও অবগত করেছেন।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘খুব বেশি হলে ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যেই হয়তো উচ্চ আদালতের রায় আসবে। এখন আর কে দোষী আর কে নির্দোষ, সেই বিতর্ক করে দয়া করে আসামিদের বিচার প্রভাবিত করার সুযোগ করে দিয়েন না।

এদিকে বহুল আলোচিত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েকজন আসামির পক্ষে হাইকোর্টে আইনি লড়াই করেছেন বিশিষ্ট ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। বিষয়টি জনসম্মুখে আসার পর গত কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন অ্যাডভোকেট শিশির মনির।  সেখানে তিনি লিখেন, হাইকোর্টে শহিদ আবরার ফাহাদের মামলার শুনানি শেষ। রায়ের জন্য অপেক্ষমান। বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া সমীচীন হবে না। আমি আপনাদের আবেগ-অনুভূতির প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে হাইকোর্টের রায় যাই হোক, আপিল বিভাগে কারও পক্ষে আমি এই মামলা পরিচালনা করব না ইনশাআল্লাহ। বিষয়টি নিয়ে শহিদ আবরারের পরিবারের সঙ্গেও আমি কথা বলব। আশা করি, সবাই বিষয়টি সৌহার্দ্যপূর্ণ দৃষ্টিতে দেখবেন।’

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ প্রকৌশলী বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতবিরোধী স্ট্যাটাস দেওয়ায় ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।  এদিন রাত ৩টার দিকে হলের দ্বিতীয় তলা থেকে আবরারের লাশ উদ্ধার করা হয়।  আবরার বুয়েটের ১৭তম ব্যাচের ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র ছিলেন। 

২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের পানি ও গ্যাস চুক্তির বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন আবরার।  এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্যাতন চালিয়ে আবরারকে হত্যা করে ছাত্রলীগ।

Jamuna Electronics

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম