সাংবাদিককে বাসা থেকে ‘তুলে নেওয়ার’ অভিযোগ

যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৩, ০৩:৩৬ পিএম

সাভারে রাতের অন্ধকারে দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামসকে ‘সিআইডি পরিচয়ে’ তার বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সাভার থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলছেন, এই অভিযোগ তিনিও ‘শুনেছেন’। তবে সিআইডির ঢাকা বিভাগের ডিআইজি মো. ঈমাম হাসান গণমাধ্যমকে বলেছেন, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।
গত ২৬ মার্চ প্রথম আলোর যে প্রতিবেদনটি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তার প্রতিবেদক ছিলেন শামসুজ্জামান শামস। ২০১৬ সালে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় অভিযান চালাতে গিয়ে প্রাণ হারানো পুলিশের সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলামের ছোট ভাই শামস।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে আমবাগান এলাকায় একটি বাসা নিয়ে থাকেন শামস। মঙ্গলবার রাতে শামসের সঙ্গে তার বাসায় ছিলেন একটি সংবাদমাধ্যমের সাভার প্রতিনিধি। তিনি ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী।
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, শামসও এক সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। সেই সূত্রে ওই বাসায় তার যাতায়াত আছে। মঙ্গলবার রাতে শামসের ফোন পেয়েই তিনি ওই বাসায় যান। পরে রাতে সেখানেই থেকে যান।
ওই সাংবাদিকের ভাষ্য, আমরা দুজন দুই কক্ষে ঘুমিয়েছিলাম। ভোর ৪টার দিকে উনি (শামস) আমাকে ডেকে তোলেন, বলেন, ‘ওঠ, পুলিশ আসছে’। উঠে দেখি ঘরের ভেতর পাঁচজন। একজন শামস ভাইয়ের রুমে ঢুকেছেন। তার ফোন, ল্যাপটপ, একটা পোর্টবল হার্ডডিস্ক ততোক্ষণে তারা হাতে নিয়েছে।
‘ওয়ারড্রব থেকে একটা ব্যাগ নিয়ে তাতে সেগুলো ঢোকায় তারা। এরপর বলে যে ‘উনাকে আমরা নিয়ে যাচ্ছি, একটু পরে কথাবার্তা বলে দিয়ে যাব’।
৪৫ মিনিট পর তারা আবার বাসায় ফিরে আসেন জানিয়ে সেই সাংবাদিক বলেন, ‘ঘরের ভেতর তারা শামস ভাইয়ের ছবি তোলে। জব্দ মালপত্রের তালিকা করে। আমার ও বাড়িওয়ালার স্বাক্ষর নেয়। বাড়িওয়ালা জিজ্ঞেস করেছিল– তারা কারা। জবাবে তারা বলেছে, তারা সিআইডির লোক।’