দুদকে ৬ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে যা বললেন মাহী

যুগান্তর রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০:২০ পিএম

দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মাহী বি চৌধুরী এমপি। ছবি: সংগৃহীত
অর্থপাচার ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করেন মাহী বি চৌধুরী এমপি। এ বিষয়ে আগামী ২৭ বা ২৮ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
রোববার প্রায় ৬ ঘণ্টা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ সব কথা বলেছেন বিকল্প ধারা বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যুগ্ম-মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী।
সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত তাকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সংস্থাটির উপ-পরিচালক জালাল উদ্দিন আহমেদ।
মাহী বি চৌধুরী বলেন, আমার নামে দুদকে একটি অভিযোগ এসেছে। সে অভিযোগের প্রাথমিক অনুসন্ধান করছে দুদক। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমার বক্তব্য গ্রহণ জরুরি ছিল। সে কারণে আমাকে দুদক ডেকেছে।
তার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মাহী বলেন, ‘কিছু লোক তো আছেই যাদের আর কোনো রাজনীতি থাকে না, যাদের কোনো রাজনৈতিক অবস্থান থাকে না, দেশের জন্য দেয়ার মতো রাজনীতিও থাকে না, শুধু ষড়যন্ত্রের ওপর নির্ভর করে সে সব রাজনীতিক টিকে থাকার চেষ্টা করেন। এটা তাদেরই ষড়যন্ত্র।’
অভিযোগ সম্পর্কে আরেক প্রশ্নের জবাবে মাহী বলেন, এখানে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের কোনো সুযোগই নেই, মানি লন্ডারিংয়ের কোনো সুযোগই নেই। বাংলাদেশের বাইরে আমার যদি কোনো আয় ও ব্যয় থাকে সেটা বাংলাদেশের বাইরে আমার বৈধ আয় থেকে।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, রোববার মাহীর সঙ্গে তার স্ত্রী আশফাহ্ হককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হলেও অসুস্থতার জন্য তিনি হাজির হতে পারেননি।
দুদক সূত্র জানায়, মাহী ও তার স্ত্রী বিভিন্ন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করেছেন বলে অভিযোগ এসেছে।
এতে আরও বলা হয়, অজ্ঞাত খাত থেকে আয়ের টাকা তারা কৌশলে বিদেশে নিয়ে গেছেন। বিএনপি সরকারের সময়সহ বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ অর্থের মালিক হয়েছেন তিনি।