
প্রিন্ট: ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৫০ এএম
সিরিয়ার টি-৪ বিমান ঘাঁটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় তুরস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৫, ১০:০৬ পিএম

সিরিয়ার কৌশলগত তিয়াস বিমান ঘাঁটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় রয়েছে তুরস্ক। নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ঘাঁটিটিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করতে চাই তারা। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র মিডল ইস্ট আইকে এ তথ্য জানিয়েছে।
তিয়াস বিমান ঘাঁটিটি টি-৪ নামে পরিচিত।
গত বছরের ডিসেম্বর থেকে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করছে দামেস্ক ও আঙ্কারা। যদি দুদেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত চুক্তি হয় তাহলে সিরিয়ার নতুন সরকারকে সামরিক সহায়তা দেবে তুরস্ক।
যদিও তুরস্কের কর্মকর্তারা এর আগে সিরিয়ায় সামরিক উপস্থিতির সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিয়েছিল। এ ধরণের পরিকল্পনাকে অকালপ্রয়াত বলে বর্ণনা করেছিলেন। তবে দুপক্ষের মধ্যে নীরবে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
সিরিয়ায় তুরস্কের সেনাবাহিনী মোতায়েন দখলদার ইসরাইলের চোখে একটি বড় হুমকি। আর আঙ্কারার লক্ষ্য হলো, নিজেদের সামরিক সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে সিরিয়াকে স্থিতিশীল করা।
তুরস্ক আইএসের বিরুদ্ধে নিজেদের লড়াই আরও তীব্র করতে চায়, যা এ অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
ওই সূত্র মিডল ইস্ট আইকে বলেন, মধ্য সিরিয়ার পালমায়েরে অবস্থিত টি-৪ বিমান ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিতে তুরস্ক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। খুব শিগগিরই তারা ঘাঁটিটির নিয়ন্ত্রণ নেবে।
সূত্র আরও বলেন, টি-৪ ঘাঁটিতে হিসার টাইপ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করবে তুরস্ক। যখন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হবে তখন ঘাঁটিটিতে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে। পাশাপাশি আঙ্কারা ঘাঁটিটিতে নজরদারি ড্রোনও মোতায়েন করবে।
সূত্র বলেন, পুরোপুরিভাবে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর আঙ্কারা ঘাঁটির ভেতরে ও আশেপাশে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করবে। ঘাঁটিতে জেট থেকে শুরু করে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও স্বল্প, মাঝারি এবং দীর্ঘ পাল্লার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকবে।
দ্বিতীয় সূত্রটি জানিয়েছে, তুর্কি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ড্রোনের উপস্থিতি সম্ভবত ইসরায়েলকে ওই অঞ্চলে বিমান হামলা চালানো থেকে বিরত রাখবে।
এ বিষয়ে মন্তব্য নিতে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা এতে সাড়া দেয়নি