
প্রিন্ট: ২৮ মার্চ ২০২৫, ১২:৪১ এএম
সীমান্তবর্তী উত্তর গাজা ফাঁকা করছে ইসরাইল

যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৫, ১০:২২ পিএম

আরও পড়ুন
দিন যত যাচ্ছে ইসরাইলের আগ্রাসনের মাত্রায় বাড়ছে আরও তীব্রতা। যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শেষে পুনরায় যুদ্ধ শুরুর পর ইসরাইলের টার্গেট এবার উত্তর গাজা। অবরুদ্ধ গাজার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোকে ফাঁকা করছে তারা। প্রায় এক লাখ ফিলিস্তিনিকে জোরপূর্বক বসতভিটা ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। এ ছাড়াও জাবালিয়া এলাকাটি দ্রুত খালি না করলে হামলা করা হবে বলেও ‘চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি’ দিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। মঙ্গলবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইলের সামরিক মুখপাত্র আভিখাই আদরায়ে সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘জাবালিয়া এলাকায় বসবাসকারী গাজার সব নাগরিকের জন্য এটি হামলার আগের চূড়ান্ত সতর্কবার্তা’। তিনি ফিলিস্তিনিদের দক্ষিণের ‘পরিচিত আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে’ চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আভিখাই আদরায়ে এর আগেও উত্তর গাজার বেইত লাহিয়া ও বেইত হানুনের বাসিন্দাদের জন্য একই ধরনের ঘোষণা দিয়েছিলেন।
গাজায় প্রথম যুদ্ধবিরতির শেষ হয় ১ মার্চ। এরপর ২ তারিখ থেকেই অবরুদ্ধ অঞ্চলটিতে ত্রাণ সহায়তা বন্ধ করে দেয় ইসরাইলি সেনারা। ১৮ মার্চ থেকে ফের পুরোদমে স্থল ও বিমান হামলা শুরু করা হয় গাজায়।
হামলায় আলজাজিরার সাংবাদিক নিহত: ফিলিস্তিনিদের গাজা উপত্যকায় পৃথক ইসরাইলি হামলায় দুজন গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন আলজাজিরার সাংবাদিক। তার নাম হোসাম শাবাত। বয়স ২৩ বছর। তিনি আল-জাজিরা মুবাশ্বেরে কর্মরত ছিলেন। সোমবার উত্তরাঞ্চলে ইসরাইলি হামলায় নিহত হন তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা আলজাজিরাকে জানান, বেইত লাহিয়ার পূর্বাংশে হোসাম শাবাতকে বহনকারী গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা হয়।
এ ছাড়াও গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিস এলাকায় আরেকটি ইসরাইলি হামলায় মোহাম্মদ মানসুর নামের আরেক সাংবাদিক নিহত হন। তিনি ‘প্যালেস্টাইন টুডে’ নামের একটি সংবাদমাধ্যমে কর্মরত ছিলেন। নিজ বাড়িতেই হামলার শিকার হয়েছেন তিনি। এমনকি হামলার আগেও তাকে সতর্ক করা হয়নি। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে এই নিয়ে গাজায় মোট ২০৮ জন সংবাদকর্মী ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন।
ঘটনাপ্রবাহ: হামাস ইসরাইল যুদ্ধ
আরও পড়ুন