Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

ইসরাইলি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন বিশ্বের দীর্ঘস্থায়ী রাজবন্দি

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:১৯ এএম

ইসরাইলি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন বিশ্বের দীর্ঘস্থায়ী রাজবন্দি

নাইল বারঘৌতি। ছবি: সংগৃহীত

গাজায় যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইসরাইলি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকা রাজবন্দি। দীর্ঘ ৪৪ বছর পর ইসরাইলি কারাগার থেকে মুক্তি পান নাইল বারঘৌতি নামের এই রাজবন্দি।  দীর্ঘ সময় ধরে কারাগারে থাকার ফলে তিনি ফিলিস্তিনি বন্দি আন্দোলনের অন্যতম বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।

বারঘৌতি ১৯৫৭ সালের ২৩ অক্টোবর অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লাহর উত্তরে কোবার শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাকে ১৯৭৮ সালে প্রথম গ্রেফতার করা হয় এবং ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুতে হামলায় জড়িত থাকার দায়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। 

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের ফাতাহ আন্দোলনের সদস্য হিসেবে বারঘৌতিকে ২০১১ সালে বন্দি ইসরাইলি সেনা গিলাদ শালিতের বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হয়। তবে তার মুক্তি ক্ষণস্থায়ী ছিল। এরপরে ২০১৪ সালের ১৮ জুন ইসরাইল তাকে পুনরায় গ্রেফতার করে এবং ৩০ মাসের কারাদণ্ড দেয়। 

তার সাজা শেষ হওয়ার পর, ইসরাইল তার মূল যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সঙ্গে ১৮ বছর কারাদণ্ড পুনর্বহাল করে।  এটিকে ‘গোপন ফাইল’ উল্লেখ করে একই চুক্তিতে মুক্তিপ্রাপ্ত আরও কয়েক ডজন বন্দির ওপর এ সাজা আরোপ করে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। বারঘৌতি এখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী রাজবন্দি হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন। 

২০২১ সালে বারঘৌতি তার ভাই বারঘৌতি (আবু আসেফ নামে অধিক পরিচিত)-কে হারান।  ইসরাইল কর্তৃপক্ষ তাকে তার শেষকৃত্যে যোগদানের অনুমতি দেয়নি, যেমনটা তার বাবা-মায়ের মৃত্যুর সময় করেছিল তারা। 

বন্দি-বিষয়ক কমিশনের মতে, বারঘৌতি তার সাজা চলকালীন ‘পদ্ধতিগত নির্যাতন, নির্জন কারাবাস, নির্যাতন এবং দুর্ব্যবহার’ সহ্য করেছিলেন।

গাজা যুদ্ধবিরতি এবং বন্দি বিনিময় চুক্তির প্রথম পর্যায়ের আওতায় এখন পর্যন্ত শত শত ফিলিস্তিনি বন্দির বিনিময়ে ২৫ জন ইসরাইলি জিম্মি ও আটটি মরদেহ ইসরাইলকে হস্তান্তর করা হয়েছে।  ফিলিস্তিনি এবং ইসরাইলি মানবাধিকার প্রতিবেদন অনুসারে, ইসরাইলের ধারণা- গাজায় এখনও  ৫৯ জন জিম্মি বন্দি রয়েছে। অন্যদিকে ইসরাইলি কারাগারে বন্দি রয়েছে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

Jamuna Electronics

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম