সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে ফের ইসরাইলি বিমান হামলা, নিহত ২

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০১:০৪ পিএম

সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে ও দামেস্কের বাইরে বেশ কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এসব হামলা অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি, গার্ডিয়ান ও আলজাজিরা।
নিহতরা সামরিক না বেসামরিক ব্যক্তি এসম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
ইসরাইলি কর্মকর্তারা সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তারা যেন রাজধানী থেকে বের হয়ে দক্ষিণ দিকে না যায়।
মঙ্গলবার বিকালে দামেস্কের দক্ষিণে কিসওয়াহ শহরে ও দক্ষিণের ডেরা প্রদেশে হামলা চালিয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল ক্যাটজ সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইসরাইল সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের মতো হতে দেবে না।
ক্যাটজ জানান, সিরিয়ার সরকারি বাহিনী ও দেশটির কোনো জঙ্গি সংগঠন দক্ষিণাঞ্চলের নিরাপত্তা জোনে নিজেদের (সামরিক উপস্থিতি) প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নিলে আমরা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে মোকাবিলা করব।'
এর আগে রোববার ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের 'সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের' দাবি জানান।
সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শামের নেতৃত্বে বাশার আল আসাদের সরকার পতনের অল্প সময় পর ইসরাইল-সিরিয়ার জাতিসংঘ নির্ধারিত বাফার জোনে অনুপ্রবেশ করে ইসরাইলি বাহিনী।
এরপর থেকে সিরিয়ার নতুন সরকার ও জাতিসংঘের প্রতিবাদ সত্ত্বেও ফিরে যায়নি ইসরাইল, সেখানেই খুঁটি গেড়ে বসে আছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) ওই সেনারা।
আসাদের পতনের পর বেশ কয়েক সপ্তাহ সিরিয়ার অস্ত্র সংরক্ষণাগার, নৌ ঘাঁটি ও সামরিক অবকাঠামোয় বিমান হামলা চালায় ইসরাইল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, আসাদ সরকারের ফেলে যাওয়া অস্ত্র যাতে বিদ্রোহীদের হাতে না যায়, সে জন্য এসব উদ্যোগ।
তবে নতুন বছরে এসে ইসরাইলি হামলা বন্ধ হয়ে যায়। আজ ফের নতুন করে শুরু হয়েছে হামলা।
মঙ্গলবারের ওই হামলার আগে সিরিয়া বাফার জোনে ইসরাইলের অনুপ্রবেশের নিন্দা জানায় এবং সিরীয় ভূখণ্ড থেকে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানায়।
ন্যাশনাল ডায়ালগ কনফারেন্সের শেষে এই বিবৃতি দেওয়া হয়। ওই সম্মেলনে হাজারো সিরীয় অধিকারকর্মী ও নেতা যোগ দিয়ে আসাদ-পরবর্তী রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করেন।