আলোচনার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও শীর্ষ উপদেষ্টাকে সৌদি পাঠালেন পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৪:৪৪ পিএম

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং শীর্ষ উপদেষ্টাকে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য সৌদি আরবে পাঠিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিধর দেশটিতে দুই পক্ষের মধ্যে মূল আলোচ্য বিষয় হলো রাশিয়া-মার্কিন সম্পর্ক পুনঃস্থাপন ও ইউক্রেন যুদ্ধ সমাপ্তির সম্ভাব্য আলোচনা।
এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রত্যাশিত আলোচনা শুরুর অনেক আগেই সৌদি আরবে পৌঁছেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। স্থানীয় সময় সোমবার রিয়াদে পৌঁছান তিনি।
এর আগে গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে অবিলম্বে আলোচনা শুরুর বিষয়ে সম্মতি দেন। দুই নেতা মধ্যপ্রাচ্য, জ্বালানি, মার্কিন ডলার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়েও আলোচনা করেছেন।
রুশ-মার্কিন প্রতিনিধি দলে কারা থাকছেন?
প্রত্যাশিত এই আলোচনায় রাশিয়ার পক্ষ থেকে থাকছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এবং ক্রেমলিনের পররাষ্ট্র নীতি উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ এবং হোয়াইট হাউসের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ।
এদিকে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, রাশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের প্রধান কিরিল দিমিত্রিয়েভও মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
মূল আলোচনার বিষয়বস্তু
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, বহুল চর্চিত এই আলোচনার বিষয়বস্তু হলো- রাশিয়া-মার্কিন সম্পর্ক পুনঃস্থাপন, ইউক্রেন যুদ্ধ সমাপ্তির জন্য সম্ভাব্য আলোচনা এবং
পুতিন-ট্রাম্প সরাসরি বৈঠকের প্রস্তুতি।
পুতিন-ট্রাম্প সাক্ষাৎ কি সৌদিতেই হতে পারে?
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যকার সরাসরি সাক্ষাৎ ও বৈঠক এই সৌদি আরবেই হবে কিনা- সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।
তবে এই আলোচনার মাধ্যমে রাশিয়া-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলতে পারে এবং ইউক্রেন সংকট সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স