
প্রিন্ট: ২৮ মার্চ ২০২৫, ০৬:৪৯ পিএম

ভেদরগঞ্জ (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৫, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

আরও পড়ুন
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে স্থানীয় বিএনপি নেতার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলের নেতৃত্বে ইউরো বাংলা ফাউন্ডেশন মডেল স্কুলের ২টি অফিস ভাঙচুর ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জসিম উদ্দীনকে লাঞ্ছিতের পর জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়।
জানা যায়, স্থানীয় বিএনপি নেতা সাইফুল সরদার দলীয় ক্ষমতার বলে এলাকাবাসী কেউই মুখ খুলতে পারেন না। তাই কয়েকজন সহকারী শিক্ষক ও অভিভাবকের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য সাইফুল সরদারের ছেলে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিফরাণ সরদারের নেতৃত্বে অহেতুক আন্দোলন ও স্কুলে ভাঙচুর চালানো হয়। এতে চেয়ার-টেবিল, ল্যাপটপ, বই-খাতাসহ বিভিন্ন নথিপত্র নষ্টের ফলে প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ নিয়ে সোমবার স্কুলের সহকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা ভেদরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যামিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে পুনর্বহালের দাবিতে দরখাস্ত জমা দিয়েছেন। দরখাস্তে শিক্ষকদের দাবি, রোববার আমাদের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দীন স্যারকে শিক্ষার্থীরা লাঞ্ছিত করে ও জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন ছিল। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমরা বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা মো. জসিম উদ্দীন স্যারের পুনর্বহাল ব্যতীত স্কুলের সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকব এবং চাকরি থেকে অব্যাহতি নেব। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শরীয়তপুর জেলার মুখ্য সদস্য সচিব শালেহ আকরাম রনি বলেন, স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের ইন্ধনেই ছাত্র আন্দোলনের নামে এ ভাঙচুর করা হয়েছে। আমাদের স্পষ্ট মেসেজ, স্কুল নিয়ে কেউ রাজনীতি করলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। বিএনপি নেতা সাইফুল সরদার বলেন, বিভিন্ন দাবিতে প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দীনের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে।