
প্রিন্ট: ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৪৮ এএম
নতুন ধারার রাজনীতি চান মারুফ কামাল

যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৫, ০৯:৩৩ পিএম

বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক প্রেস সেক্রেটারি মারুফ কামাল খান বলেছেন, নাগরিক অধিকার ভূলুণ্ঠিত হওয়া থেকে শুরু করে যত সংকট আমাদের সামনে দৃশ্যমান, তা সমাধানে বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়েছে। কাজেই দেশ ও জাতির জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে নতুন ধারার রাজনীতি আবশ্যক হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর পল্টনে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মারুফ কামাল খান বলেন, আমি যেখানেই নতুন রাজনীতির খবর শুনি সেখানেই ছুটে যাই। কারণ, অচল রাজনৈতিক ব্যবস্থা থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে। এবি পার্টি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের যে বয়ান হাজির করেছে, আশা করি তা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখবে, ইনশাআল্লাহ।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত টুটুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ভোরের ডাকের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহমান মলিক, দৈনিক ইনকিলাবের সহকারী সম্পাদক জামাল উদ্দিন বারী, এসএ টেলিভিশনের অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর বোরহান উদ্দিন ফয়সাল, শহীদ ফারদিনের বাবা নুরুদ্দিন রানা, ইকোনমিক এক্সপ্রেসের নির্বাহী সম্পাদক রহমতুল্লাহ, গাজী টিভির আর্ট ডিরেক্টর ফয়েজ বিন আকরাম, এশিয়ান টিভির রিপোর্টার শফিকুল ইসলাম, হালচাল সম্পাদক আমিনুল ইসলাম।
উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট গাজী আনোয়ার, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, বিএফইউজের সাবেক প্রচার সম্পাদক জাকির হোসাইন প্রমুখ।
ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রাজনৈতিক কর্মী, ছাত্র-জনতা ও মূলধারার সাংবাদিকের পাশাপাশি অনলাইন সাংবাদিকরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। আপনারা আমাদের সহযোদ্ধা। যখন মেইনস্ট্রিম মিডিয়াগুলো সরকারের বিভিন্ন সংস্থার হুমকিতে আন্দোলন কাভার করতে পারেনি, সেই সময় আপনারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ধ্রুবতারার মতো আবির্ভূত হয়েছিলেন। আপনারা আমাদের সঙ্গে রাস্তায় ছিলেন এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ। যখন কেউ আমাদের সংবাদ প্রচার করতো না, তখন আপনারাই আমাদের প্রধান ভরসা ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘সেকেন্ড রিপাবলিকের নতুন রুপরেখা তৈরি হয়ে গেছে।আবার কি আমরা গুমের রাজনীতিতে ফিরে যাব? আবার কি আয়নাঘরে ফিরে যাব? কোন কথা বলা যাবে, আর কোন কথা বলা যাবে না! এটি প্রতিষ্ঠা করার একটা সময় চলছে। আপনারা লড়াইয়ের মাঠ ছেড়ে চলে যাবেন না। আমার দেশের পররাষ্ট্রনীতি যারা অন্য দেশের হাতে তুলে দিয়েছেন, তাদেরকে আমরা আর পুনর্বাসিত করতে পারি না।’