মৃত্যু গুজবের মধ্যেই শাজাহান-আমুর পক্ষে ট্রাইব্যুনালে আইনজীবী পান্না

যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৩:৪৪ পিএম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে পড়ে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) চেয়ারপাসন এবং সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জহিরুল ইসলাম খান পান্না ওরফে জেড আই খান পান্না মারা গেছেন।
এ অবস্থার মধ্যেই সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান ও আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমুর পক্ষে আইনি লড়াই করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে ট্রাইব্যুনালে আসেন তিনি।
এ সময় তিনি অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এজলাস কক্ষে যান। এছাড়াও তিনি প্রসিকিউশনের সদস্য মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান আমি সুস্থ আছি।
এর আগে, গত ২১ নভেম্বর সুযোগ পেলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে ট্রাইব্যুনালে আইনি লড়াই করতে চান বেসরকারি সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারপারসন এবং সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জেড আই খান পান্না। গত ২১ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।
আইনজীবী পান্না বলেন, সুযোগ হলে আমি শেখ হাসিনার পক্ষে দাঁড়াবো। গণহারে মামলার সংখ্যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমি সবসময় নিপীড়িতের পক্ষে আছি। সে যেই হোক না কেন। যদি সুযোগ হয় আমি শেখ হাসিনার পক্ষে লড়াই করবো, সেটা ট্রাইব্যুনাল হোক আর অন্য যেকোনো জায়গায় হোক।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকেই জেড আই খান পান্নার ছবি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে তার ক্যাপশনে অনেকেই লিখেছেন শোক সংবাদ, আইনজীবী জেড আই খান পান্না আমাদের মাঝে আর নেই।
তবে এ তথ্য সঠিক নয় বলে জানিয়েছে ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার। তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আইনজীবী জেড আই খান পান্নার মৃত্যুর তথ্যটি সঠিক নয়। এ আইনজীবী সুস্থ আছেন এবং মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টেও উপস্থিত হয়েছেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জেড আই খান পান্নার মৃত্যুর দাবি সংক্রান্ত কোনো তথ্য গণমাধ্যম এবং সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি৷ পরবর্তীতে এ বিষয়ে জানতে সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট মুহাম্মাদ রহমাতুল্লাহর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সংস্থাটিকে জানান, এটি গুজব ছিল।