Logo
Logo
×

বিনোদন

লাখ টাকার পোশাকে কুম্ভে পুণ্যস্নান করেছিলেন আম্বানিদের বউমা রাধিকা

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০২:০৪ পিএম

লাখ টাকার পোশাকে কুম্ভে পুণ্যস্নান করেছিলেন আম্বানিদের বউমা রাধিকা

দিন ১৫ আগেই দুই পুত্র ও পুত্রবধূকে নিয়ে প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ মেলায় পুণ্যস্নান করতে এসেছিলেন মুকেশ আম্বানি। যদিও ধনকুবের শ্বশুরমশাই এবং পরিবারের বাকি সদস্যদের থেকে প্রচারের সব আলোটুকু কেড়ে নিয়েছিলেন একা রাধিকা মার্চেন্টই। প্রয়াগের তিন নদীর সঙ্গমস্থলে আম্বানিদের ছোট বউমা ডুব দিয়েছিলেন এক লাখ টাকার সালোয়ার-কামিজ পরে। তাই নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। 

এবার মহাকুম্ভে পুণ্যস্নান করলেন আম্বানি পরিবারের আরও এক শৌখিনী সদস্য। তিনি আম্বানি পরিবারের মেয়ে ইশা আম্বানি। শিবরাত্রি তিথির আগের দিন স্বামী আনন্দ পিরামলের সঙ্গে তিনি এসেছিলেন প্রয়াগরাজে কুম্ভস্নান করতে। রাধিকার পোশাক নিয়ে হইচই হওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন ইশাও তেমন কোনো চমক দেবেন। 

কারণ আম্বানি পরিবারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ইশা-রাধিকার ননদ-ভ্রাতৃজায়া জুটি প্রায়ই সাজে একে অপরকে টক্কর দেন। কিন্তু দেখা গেল আম্বানিকন্যা কুম্ভদর্শনে এসেছেন আপাত-সাধারণ দেখতে একটি কুর্তা পরে। কুম্ভস্নানের সময় পরেছিলেন একটি নীলের ওপর সাদা ছাপের রাজস্থানের বাঁধনি কাজের কুর্তা। 

কুম্ভস্নানের সময় পরেছিলেন একটি নীলের ওপর সাদা ছাপের রাজস্থানের বাঁধনি কাজের কুর্তা। 

ইশার ফ্যাশনবোধের অনুরাগী নেহাত কম নয়। দেশের পোশাকশিল্পীরা ইশাকে নিজেদের মডেল বানিয়ে বহু পোশাকের প্রদর্শন করেছেন। ফ্যাশন ও যাপনের পত্রিকা ‘ভোগ’-এর আন্তর্জাতিক সংস্করণের মলাটের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল ধনকুবের-তনয়া ইশাকে। সেই ইশা কুম্ভস্নানের সময় পরেছিলেন একটি নীলের ওপর সাদা ছাপের রাজস্থানের বাঁধনি কাজের কুর্তা। তার ওপর রুপালি জরি ও পুঁতির হালকা আড়ি কাজ। চোখে সানগ্লাস আর কপালে মেরুন টিপ আর মাথায় একটি পরিচ্ছন্ন পনিটেলে সাজ শেষ।

ত্রিবেণীতে স্বামীর হাত ধরেই পানিতে ডুব দিলেন ইশা। পরে তাকে দেখা গেল একটি রানি গোলাপি রঙের বাঁধনি কুর্তা পরে আনন্দের হাতে হাত রেখে প্রয়াগের ত্রিবেণি সঙ্গমে দাঁড়িয়ে পূজা দিতে। দুটি পোশাকেই ইশাকে সুন্দর দেখাচ্ছে বলে রায় দিয়েছেন নেটিজেনরা। অনেকে আবার এও বলেছেন, দেখতে সাধারণ হলেও ওই পোশাকের দামও রাধিকার মতোই লাখ টাকার কাছাকাছি হলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।

Jamuna Electronics

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম