
প্রিন্ট: ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১১:২৭ পিএম
বাউফলের ১৮ গ্রামে আগাম ঈদ

বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৫, ০৫:০৩ পিএম

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ১৮টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগেই ঈদ উদযাপন করেছেন।
রোববার সকাল ৯টায় উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের উত্তর চন্দ্রপাড়া জাহাঁগিরিয়া শাহসুফি মমতাজিয়া জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
এতে খুতবা দেন জাহাঁগিরিয়া শাহসুফি মমতাজিয়া জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মো. রাসেল।
প্রতি বছরের মতো এবারও চট্টগ্রামের এলাহাবাদ জাহাঁগিরিয়া শাহসুফি মমতাজিয়া দরবার শরিফের অনুসারীরা আগাম ঈদ পালন করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মমতাজিয়া দরবারের বর্তমান পির হযরত মাওলানা আলহাজ মোহাম্মদ আলী। পাকিস্তান শাসনামলে বাকেরগঞ্জের সুন্দরকাঠী গ্রামের তাজউদ্দিন আহমেদ নামের এক ব্যক্তি বাউফল থানায় কনস্টেবল পদে চাকরি করতেন। তিনিই এই এলাকায় প্রথম মমতাজিয়া দরবারের খাদেম হিসেবে কাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে তাজউদ্দিন আহমেদ এই এলাকায় কনস্টেবল পির হিসেবে পরিচিতি পান।
এরপর থেকে কনস্টেবল পিরের অনুসারীরা বাউফলের বিভিন্ন গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে সময়ের মিল রেখে রোজা পালন শেষে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেন।
জাহাঁগিরিয়া শাহসুফি মমতাজিয়া জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মো. রাসেল বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজকে আমরা ঈদ পালন করলাম। এটা অনেক আগ থেকে আমরা পালন করে আসছি। কুরআন এবং হাদিসে রয়েছে বিশ্বের যেকোনো জায়গায় চাঁদ দেখা গেলে সেই চাঁদের সংবাদ যদি কোনো মুসলিম ব্যক্তি জানতে পারে এবং অন্য কোনো মুসলিমকে ব্যক্তিকে পৌঁছে দেয় এবং তারা যদি নিশ্চিত হয়ে থাকে এই সংবাদটি সঠিক তাহলে ওই এলাকাবাসীর উপরে বা ওই মহল্লার উপরে রোজা ও ঈদ পালন ফরজ হয়ে যায়।
কনস্টেবল পিরের অনুসারী শাহজাহান মুন্সি বলেন, চন্দ্রপাড়া ছাড়াও উপজেলার শাপলাখালী, নতুন শাপলাখালী, রাজনগর, সাবুপুরা, বালিয়া-চাঁদপাল, ধাউরাভাঙ্গা, সুর্দী, দ্বীপাশা, কায়না, মদনপুরা, চন্দ্রপাড়া, তাঁতেরকাঠি, কনকদিয়া ও কালাইয়া আদর্শগ্রামে আগাম ঈদ উদযাপন করা হয়।