
প্রিন্ট: ২৮ মার্চ ২০২৫, ০৯:১২ পিএম

চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০২:৫৯ এএম

আরও পড়ুন
দফায় দফায় চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে দীর্ঘ ১৫ বছর চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন একেএম ফজলুল্লাহ। এই সময়ে তার বিরুদ্ধে ৩ হাজার ৮০৮ কোটি টাকার স্যুয়ারেজ প্রকল্পে অনিয়মসহ বিভিন্ন খাতে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তার দুর্নীতির খোঁজে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক সাঈদ মোহাম্মদ ইমরানের নেতৃত্বে ৪ সদস্যের একটি টিম বৃহস্পতিবার দুপুরে ওয়াসা ভবনে অভিযান পরিচালনা করে। এর আগে স্যুয়ারেজ প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণে দেখা দেওয়া ফাটল পরিদর্শন করেন টিমের সদস্যরা। বিভিন্ন নথিপত্র ঘেঁটে প্রাথমিকভাবে বেশকিছু অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দুদক।
অভিযান শেষে টিমের প্রধান গণমাধ্যমকে বলেন, তাদের কাছে অভিযোগ ছিলÑহালিশহরে স্যুয়ারেজ প্রকল্পের ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে ফাটল দেখা দিয়েছে। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়। এ বিষয়ে আলামত সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।
২০২০ সালে ওয়াসা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। দুর্নীতির নথি গায়েব করতে পরিকল্পিতভাবে ওই আগুন লাগানো হয় বলে অভিযোগ আছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটির রিপোর্ট সংগ্রহ করেছে দুদক।
স্যুয়ারেজ প্রকল্পে সাবেক এমপির ভাগনে সারওয়ার জাহানের স্ত্রীকে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে নিয়োগ দেওয়া হয়। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগ এবং জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে পদোন্নতির অভিযোগসংক্রান্ত নথিপত্র ওয়াসা সচিবের কাছে চেয়েছে দুদক। নথিপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।