Logo
Logo
×

বিনোদন

ক্যানসারের কেমোথেরাপি শেষে কোন চিকিৎসা নিচ্ছেন হিনা খান?

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৪:৫৬ পিএম

ক্যানসারের কেমোথেরাপি শেষে কোন চিকিৎসা নিচ্ছেন হিনা খান?

স্তন ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ করে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছেন বলিউড অভিনেত্রী হিনা খান। যেভাবে ক্যানসার ধরা পড়ার পর ভেঙে না পড়ে তিনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, তা দেখে মুগ্ধ ভক্ত-অনুরাগীরা। যদিও হিনা জানিয়েছেন, এখনো ক্যানসারের সঙ্গে তার লড়াই শেষ হয়নি। ক্যানসারকে দূরে রাখতে নতুন এক চিকিৎসাপদ্ধতিতে চিকিৎসা শুরু হয়েছে তার। 

স্টেজ থ্রি ব্রেস্ট ক্যানসার ধরা পড়েছিল অভিনেত্রী হিনা খানের। এরপর তার অস্ত্রোপচার করানো হয়। কেমোথেরাপিও চলছিল। কেমো চলাকালে নানা শারীরিক সমস্যা ও যন্ত্রণার বিষয়ে খোলাখুলি কথা বলেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে হিনা জানিয়েছেন, সেই কেমোথেরাপি শেষ হয়েছে তার। তবে ক্যানসারের চিকিৎসা সম্পূর্ণ হয়নি এখনো। এখন তিনি কেমোথেরাপি শেষে ইমিউনোথেরাপি করাচ্ছেন।

ক্যানসারের চিকিৎসায় শুধু অস্ত্রোপচার ও কেমোথেরাপিই যে শেষ কথা নয়, তা বারবার বলে থাকেন চিকিৎসকরা। তারা বলেন, ওই দুই চিকিৎসার মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ‘ফলো আপ’, অর্থাৎ নিয়মিত শারীরিক অবস্থার ওপর নজর রাখা। চিকিৎসককে দেখানো। পরীক্ষা করানো। এ ছাড়া ক্যানসারের আধুনিক চিকিৎসায় ‘পোস্ট ক্যানসার কেয়ার’ বা ক্যানসারপরবর্তী যত্নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে শরীরে ক্যানসার ফিরতে চাইলে শরীর তার সঙ্গে লড়াই করতে পারে, সে জন্য শরীরকে তৈরি রাখাও জরুরি। সেই ক্ষমতাই জোগায় ইমিউনোথেরাপি।

ইমিউনোথেরাপি হলো শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাকে শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া। এ পদ্ধতি শরীরকে ভবিষ্যতে ক্যানসারযুক্ত কোষের মোকাবিলা করার জন্য তৈরি রাখে। ক্যানসারের চিকিৎসক শ্রীনাথ ডি বলেছেন, কেমোথেরাপি যেমন ক্যানসারের সম্ভাবনাযুক্ত কোষের পাশাপাশি সুস্থ কোষকেও আক্রমণ করে, ইমিউনোথেরাপি ঠিক তা করে না। এর বদলে রোগপ্রতিরোধ শক্তিকেই এতটা বাড়িয়ে দেয় যে, সেটি ক্যানসারের সম্ভাবনাময় কোষগুলোকে চিনে শুধু সেগুলোকে আক্রমণ করতে পারে।

যাদের ক্যানসার রয়েছে, তারা প্রত্যেকেই ইমিউনোথেরাপি নিতে পারবেন, তা নয়। কী ধরনের ক্যানসার ও তা শরীরে কত দূর ছড়িয়েছে, তার ওপর নির্ভর করবে পুরোটা। স্তন ক্যানসার, সার্ভিক্যাল, কলোরেক্টাল, ফুসফুস এবং ত্বকের ক্যানসার কতটা ছড়িয়েছে, তা দেখে ইমিউনোথেরাপি করানো যেতে পারে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন চিকিৎসক।

Jamuna Electronics

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম