
প্রিন্ট: ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:৪১ এএম
গাজীপুর মহানগরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সহযোগিতা চাইলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

গাজীপুর (মহানগর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৫, ১১:১০ পিএম

আরও পড়ুন
নগরবাসীর সহযোগিতা নিয়ে গাজীপুর মহানগরকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরীতে পরিণত করতে চান বলে মন্তব্য করেছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) আবদুল লতিফ খান।
বুধবার গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্নস্থানে নাগরিকদের সহযোগিতা চেয়ে নগরীর বিভিন্ন স্থানে পরিছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
বুধবার ঈদের তৃতীয় দিন মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা না ফেলতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) আবদুল লতিফ খান বলেন, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার গাজীপুর সিটি করপোরেশনের একটি নিয়মিত কাজের অংশ। প্রতিদিন আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা রাস্তা ও ফুটপাতের ময়লা অপসারণ করছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ময়লা-আবর্জনা পরিচ্ছন্নতার অভিযানে অংশ হিসেবে আমাদের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের কার্যক্রম দেখার জন্য প্রতিদিনের মতো আজকেও পরিদর্শনে এসেছি।
নগরবাসীকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, আপনারা যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা না ফেলে সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত স্থানে ময়লা আবর্জনা ফেলুন। নগর পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব গাজীপুর সিটি করপোরেশনের। আমরা যথাযথ সময়ে তা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখব।
তিনি জানান, ময়লা-আবর্জনা পরিচ্ছন্নতার অভিযান প্রতিদিনই চলে। আমরা মাঠ পরিদর্শন করে এ অভিযান আরও বেগবান করি। যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থেকে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার জন্য বসবাসকারীদের আরও সচেতন হতে হবে। একটু সচেতন হলে আমরাই আমাদের নগরীকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে পারি।
পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জনবলের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের পর্যাপ্ত জনবল নেই। স্বল্প সংখ্যাক জনবল নিয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশন রাতদিন কাজ করে যাচ্ছে। তাছাড়া পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা তা প্রতিদিনই আমি মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন করি। আর যেখানে পরিদর্শন করতে না পারি সেখানে ভিডিও কলের মাধ্যমে তা তদারকি করি।
পরিদর্শনকালে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক, বিদ্যুৎ ও পানি) সুদীপ বসাক, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (আনিক-৫) ফিরোজ আল মামুন, আইন কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ, প্রকৌশলী (যান্ত্রিক)আমজাদ হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।