
প্রিন্ট: ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:০৯ এএম
ঈদের রাতে শিশুকে ধর্ষণ, ধর্ষকের বাড়িতে জনতার ভাঙচুর

মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৫১ পিএম

আরও পড়ুন
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ঈদের দিন রাতে প্রতিবেশীর ৯ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
দুলাল (৩০) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানতে পেরে ধর্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ জনতা।
উপজেলার নামামহিষতারা গ্রামে ঈদের দিন এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
অভিযুক্ত দুলাল উপজেলার নামা মহিষতারা গ্রামের মন্নেছ আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী ওই একই এলাকার একটি মাদ্রাসার নূরানির বিভাগের ছাত্রী।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন বিকালে শ্বশুরবাড়িতে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে নিজের মেয়ে দিয়ে পাশের বাড়ির ৯ বছর বয়সি শিশুকে ডেকে নেয়। মেয়েসহ ওই শিশুকে বিকালেই বটতলা গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে যায়। পরে নিজের মেয়েকে শ্বশুরবাড়িতে রেখে শিশুকে অন্যত্র নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগীকে অসুস্থ দেখে মঙ্গলবার সকালে তার বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে অন্যত্র সটকে পড়ে দুলাল। পরবর্তীতে ধর্ষণের বিষয়টি পরিবার ও এলাকায় জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জড়ো হয়ে ধর্ষকের বাড়িসহ দুইটি দোকানে ভাঙচুর করে।
ইতিমধ্যে অভিযুক্ত দুলাল পালিয়ে গেলেও তাকে পালাতে সহযোগিতা করার অভিযোগে মজিদ নামের একজনকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
ভুক্তভোগীর বড় বোন বলেন, অসুস্থ অবস্থায় ওকে সকালে বাড়িতে রেখে যায় দুলাল। পরে সে জানায় দুলাল তাকে ধর্ষণ করেছে। এলাকার লোকজন দুলালকে ধরতে গেলে প্রতিবেশী আতিক ও মজিদ দুলালকে সরিয়ে দেয়। দুলালের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
এ প্রসঙ্গে মুক্তাগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন চন্দ্র গোপ জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে মূল অভিযুক্তকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করায় মজিদ নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। ভিকটিম শিশুটিকে চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।