
প্রিন্ট: ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৩:৫৩ পিএম

কুমিল্লা ব্যুরো
প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৫, ০৯:৫৮ পিএম

আরও পড়ুন
কুমিল্লার মুরাদনগর থানার ওসি জাহিদুর রহমান এবং ছাত্র সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট ওবায়দুল হকসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১১নং আমলি আদালতে মো. মেহেদী হাসান নামের এক ইলেক্ট্রিশিয়ান বাদী হয়ে অভিযোগটি দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মো. মোমিনুল হক আগামী ১৯ মে এর মধ্যে পিবিআই কুমিল্লাকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- মুরাদনগর উপজেলার ত্রিশ গ্রামের ইউসুফ মিয়ার ছেলে আল মামুন (৩০), মুরাদনগর গ্রামের আবু সাইদের ছেলে সাজিদ (২৫), বাহারামের কান্দা গ্রামের ইউসুফের ছেলে আরাফাত (২৫), নবীপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে মিজান (২৮), গ্রামের ফয়সাল (৩০), বাখর নগর গ্রামের সিদ্দিক সরকারের ছেলে এনামুল হক আসিফ (৩২), মুরাদনগরের কাউসার মিয়ার ছেলে মাহি (২৫), আলমগীরের ছেলে জিসান (২৫), নোয়াকান্দি গ্রামের ইকরাম (২২), একই এলাকার শারফিনের ছেলে সাইম (২০), নিমাইকান্দের নাঈম (২৫), বাখর নগরের আব্দুস সাত্তার মেম্বার এর ছেলে মহিউদ্দিন (২৮), এলাকার ইউনুস মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৭), একই এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে তৌহিদ রাসেল (২৮), একই এলাকার রাসেল (২৮), ত্রিশ এলাকার সুধন মিয়ার ছেলে হাবিব (২৮), মুরাদনগর উত্তর পাড়ার সেলিম মিয়ার ছেলে ইমন (২৪), আলীর চরের আমির হোসেনের ছেলে ইব্রাহিম (৩২), নবীপুরের মুজিব মিয়ার ছেলে মোস্তাফিজ (২৮), বাঙ্গরা বাজার থানা আকবপুরের মৃত আব্দুল কালামের ছেলে আবুল ফয়সাল (৩০), বাঁখর নগর এলাকার মৃত মদন মিয়ার ছেলে মো. মনির (২৮), একই এলাকার সরু মিয়ার ছেলে ইমরান।
অভিযোগকারীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ২৪ মার্চ ইলেক্ট্রিশিয়ান মেহেদী হাসানের ভাই সিএনজি চালক আবু কালামকে উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ নগরপাড় সিএনজি স্টেশন থেকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে তার ভাইকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করলে ওসি জাহিদুর রহমান ১ লাখ টাকা ঘুস দাবি করেন। এর আগে উল্লেখিত অন্য আসামিরাও তার কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি হাজির হয়ে কুমিল্লা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১১নং আমলি আদালতে হাজির হয়ে অভিযোগটি দায়ের করেন।
মুরাদনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান বলেন, গত সোমবার ছাত্র সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট ওবায়দুল হকের ওপর হামলা করে সিএনজির করনিক আবুল কালাম আজাদ। এতে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে ছাড়িয়ে নিতে এসে বিএনপি নেতাকর্মীরা থানায় হামলা চালায়। এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে বিএনপির ৬ কর্মীকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার আদালতে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে তাও যথাযথভাবে তদন্ত করবে দায়িত্বশীল সংস্থা।