
প্রিন্ট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০১:৪০ পিএম
৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি এক আইড় মাছ

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৫, ০৫:০৩ এএম
-6786ed3728b0f.jpg)
ছবি: সংগৃহীত
আরও পড়ুন
যেদিকে চোখ যায় শুধু দেখা যায় মাছ আর মাছ। পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে হবিগঞ্জের পইল গ্রামে ঐতিহাসিক মাছের মেলায় দেখা মিলেছে এমন চিত্র। মাছের মেলার সবচেয়ে বড় আইড় মাছ বিক্রি হয়েছে ৭৫ হাজার টাকায়। যদিও মাছটির দাম হাঁকা হয়েছিল ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
২০৭ বছর ধরে চলে আসা মাছের মেলার প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে ছোট বড় সব ধরনের দেশি প্রজাতির মাছ। এ মাছের মেলায় বোয়াল, আইড়, চিতল, বাঘাইর, কার্ফুসহ বিভিন্ন প্রজাতির বড় বড় মাছের পশরা নিয়ে বসেন বিক্রেতারা। পাশাপাশি রয়েছে শিশুদের খেলনা, কৃষি উপকরণ, শাক-সবজি, নাগরদোলা, ট্রেনসহ নানান জিনিস। তবে এবার বাহারি ধরনের মাছ ও হাজারো দর্শক ক্রেতার ভিড়ে পৈলের মাছের মেলা সেজেছে নতুন রূপে।
মঙ্গলবার মাছের মেলায় ৪৩ কেজি ওজনের বিশাল আইড় মাছটি নিয়ে এসেছেন জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুতাং গ্রামের মজনু মিয়া। তার দোকানে ২৩ কেজি ওজনের একটি বোয়াল ছাড়াও রয়েছে ছোটবড় নানাজাতের মাছ।
মজনু মিয়া বলেন, এসব মাছ সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরের। সেখান থেকে গিয়ে তিনি মাছগুলো সংগ্রহ করে নিয়ে এসেছেন। ৪৩ কেজি ওজনের আইড় মাছটি তিনি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। ২৩ কেজি ওজনের বোয়াল মাছটি তিনি ৩৬ হাজার টাকা দাম চাচ্ছেন।
মেলা আয়োজক কমিটির সদস্য শিবেন্দ্র চন্দ্র দাশ শিবু জানান, ২০২৩ সালে পইলের মাছের মেলায় সোয়া দুই কোটি টাকার মাছ বিক্রি হয়েছিল। এবারও কেনাবেচা এর কাছাকাছি থাকবে।
তিনি বলেন, পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে পইল নতুন বাজার মাঠে প্রায় ২০৭ বছর ধরে পৌষ মাসের শেষ দিনে এ মেলা হয়। মেলাকে কেন্দ্র করে আমাদের আশপাশের কয়েক গ্রামে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়। প্রতিটি বাড়িতে আত্মীয় স্বজনরা আসেন।