
প্রিন্ট: ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:২৫ এএম
৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি
১৭ দিনেও আইনি সহায়তার অনুমতি পাননি পবিপ্রবির মেডিকেল অফিসার
১৭ দিনেও আইনি সহায়তার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৮:১৭ পিএম

আরও পড়ুন
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার এটিএম নাসির উদ্দিনের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করে স্থানীয় সাইফুল মৃধা, মাসুদ মৃধা এবং জসীম উদ্দীন মৃধাসহ কয়েকজন। এ সময় চক্রটি অভিযোগকারীকে অকথ্য ভাষায় গালাগালও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়ার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগে বলা হয়।
পরবর্তীতে এ ঘটনা উল্লেখ করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পবিপ্রবির রেজিস্ট্রারের কাছে লিখিত অনুমতি চান তিনি। কিন্তু ঘটনার ১৭ দিন অতিবাহিত হলেও পবিপ্রবি প্রশাসন তাকে আইনগত সহায়তা নিতে অনুমতি দেওয়া হয়নি। বরং রেজিস্ট্রারের কাছে আইনগত সহায়তা চাওয়ার পর থেকে অভিযুক্তরা নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় তিনি পটুয়াখালী ক্যান্টনমেন্ট জিওসির কাছেও লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান।
পবিপ্রবি রেজিস্ট্রারের কাছে লিখিত অভিযোগে ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার এটিএম নাসির উদ্দিন উল্লেখ করেন, গত ২৭ আগস্ট দুপুরে পবিপ্রবির হেলথ কেয়ার সেন্টারে অবস্থান করে রোগীদের চিকিৎসা দেন তিনি। এ সময় উল্লেখিত ব্যক্তিরা তার কক্ষে ঢুকে প্রথমে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করে এবং দরজা বন্ধ করে দেয়। তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে নগদ ৫ লাখ টাকা অথবা চেক লিখে দিতে চাপ দেয়। অন্যথায় কর্মস্থল ছাড়ার হুমকি দিয়েছে। এ সময় ঘণ্টাব্যাপী তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
২৮ আগস্ট লিখিতভাবে পবিপ্রবি প্রশাসনকে অবগত করে আইনগত সহায়তার অনুমতি চান তিনি। কিন্তু ঘটনার ১৭ দিন পার হলেও অনুমতি অথবা থানা জিডি অনুমতি দেওয়া হয়নি তাকে।
১৩ সেপ্টেম্বর মোবাইল ফোনে ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার এটিএম নাসির উদ্দিন প্রতিবেদককে বলেন, আইনি সহায়তা নিতে অনুমতি চাওয়ার পর থেকে চক্রটি আরো ক্ষিপ্ত হয়ে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে সাইফুল মৃধা বলেন, বিগত ১৫ বছরে আমি পবিপ্রবিতে যাইনি এবং অভিযোগকারীকে চিনি না। এসব কেনো করছে তাও জানি না।
রেজিস্ট্রার হেমায়েত জাহান বলেন, অভিযোগটি নিয়ে অভ্যন্তরীন তদন্ত চলছে। সত্যতা পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।