স্ত্রীকে হত্যার পর থানায় স্বামীর আত্মসমর্পণ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৩, ০৬:১৬ পিএম

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের নলডাঙ্গায় স্ত্রীকে হত্যার পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখে থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেছেন ঘাতক স্বামী। খবর পেয়ে পুলিশ শনিবার রাত ৮টার দিকে নলডাঙ্গা ইউনিয়নের কলেজপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
অভিযুক্ত স্বামী মহসীন আলী নলডাঙ্গা ইউনিয়নের কলেজপাড়া গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ৪ বছর আগে মহসীন আলীর সঙ্গে গাইবান্ধার মোল্লাপাড়ার মৃত কাদের মোল্লার মেয়ে শেফালী খাতুনের বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই মহসীন তার স্ত্রীকে চারিত্রিকভাবে সন্দেহ করতেন। এছাড়া অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে প্রায়ই তাদের ঝগড়া লেগে থাকত।
এরই জেরে শনিবার সন্ধ্যায় মহসীন আলী ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে তার স্ত্রী শেফালীকে হত্যা করে। পরে এটিকে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করতে নিজেই মরদেহ ঝুলিয়ে রাখে মহসীন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঝুলন্ত অবস্থায় থাকা শেফালীর হাতে একটি চিরকুট ছিল। তাতে লেখা ছিল- আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়, কারো কোনো দোষ নেই।
এ ব্যাপারে সাদুল্লাপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান জানান, ঘাতক নিজেই তার স্ত্রীকে হত্যা করে থানায় আত্মসমর্পণ করেছে। রোববার তাকে আমরা আদালতের পাঠিয়ে দিয়েছি। ওই চিরকুটটি মহসীনের লেখা বলেই মনে করা হচ্ছে বলে জানান ওসি।