Logo
Logo
×

রাজধানী

কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগ রণক্ষেত্র

Icon

যুগান্তর রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০১৮, ০৮:২১ পিএম

কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগ রণক্ষেত্র

সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান নেয়া আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া আর সংঘর্ষে শাহবাগ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। 

শাহবাগ মোড়ে সন্ধ্যা ৭টা ৫০ এর দিকে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দেয়। এ সময় লাঠিপেটাও শুরু করে পুলিশ। একই সঙ্গে ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের শেল। পাঁচ মিনিটের মধ্যে ফাঁকা হয়ে যায় শাহবাগের মোড়। এ সময় আন্দোলনকারীরা শাহবাগের বিভিন্ন জায়গায় আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায় নি। পুলিশের লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাসের কারণে আন্দোলনকারীদের অনেকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চত্বরে আশ্রয় নিলে সেখান থেকে পুলিশ কয়েকজনকে আটক করে।

রোববার দুপুর থেকে শুরু হয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও চাকরীপ্রার্থীদের এ আন্দোলন। 

প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনের রাস্তা দিয়ে বের হয়ে রাজু স্মৃতি ভাস্কর্য হয়ে নীলক্ষেত ও কাঁটাবন ঘুরে শাহবাগ মোড়ে এসে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা।

ফলে শাহবাগ মোড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং একপর্যায়ে শাহবাগ মোড় দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

ঢাকাসহ সারা দেশে গণপদযাত্রার অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি পালন করছে আন্দোলনকারীরা।

এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন হাজারো শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থী। তাদের দাবি, বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি সংস্কার করে কমাতে হবে। এই চাকরিতে কোটা সব মিলিয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে।

বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে ৫৫ শতাংশ বিভিন্ন ধরনের অগ্রাধিকার কোটা রয়েছে। আর বাকি ৪৫ শতাংশ নিয়োগ হয় মেধা কোটায়। এ জন্য এই কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা।

কোটা সংস্কার দাবিতে শিক্ষার্থীদের দাবি হল- কোটাব্যবস্থা সংস্কার করে ৫৬ থেকে ১০ শতাংশে নিয়ে আসা; কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্যপদে মেধায় নিয়োগ দেওয়া; নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার না করা; কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা না নেওয়া এবং চাকরির ক্ষেত্রে সবার জন্য অভিন্ন কাটমার্ক ও বয়সসীমা নির্ধারণ করা।

Jamuna Electronics

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম