
প্রিন্ট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:২৮ এএম

জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৪, ০৫:৪৭ পিএম

আরও পড়ুন
সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ স্কিমের আওতা থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে বাতিলের দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। বন্ধ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। এতে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে জবি।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকেরা। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
শিক্ষকদের কর্মসূচির বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. শেখ মাশরিক হাসান বলেন, আমরা বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে আন্দোলন করছি। আমরা পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত একইভাবে আমাদের আন্দোলন চলবে। আমরা সরকারের কাছে আমাদের দাবি পুনর্ব্যক্ত করছি।
সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ স্কিম বাতিলের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আন্দোলন অযৌক্তিক বলে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর বক্তব্যের বিষয়ে ড. মাশরিক হাসান বলেন, আমার মনে হয় তারা এ বিষয়টি নিয়ে স্টাডি করেননি। আমাদের দাবি যৌক্তিক দাবি।
একইদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও। এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি ও বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের মহাসচিব মো. আব্দুল কাদের (কাজী মনির) বলেন, আমরা আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে লাগাতার কর্মবিরতি পালন করব৷ প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত আমাদের কর্মবিরতি চলবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে সর্বজনীন পেনশন থেকে মুক্ত করে প্রজ্ঞাপন বাতিলের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে।
শিক্ষকদের সঙ্গে সরকারের আলোচনার বিষয়ে আব্দুল কাদের বলেন, যেহেতু সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষকদেরকে নিয়ে বসার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, সেক্ষেত্রে তাদের দাবি যদি মেনে নেওয়া হয়, তাহলে আমরাও মেনে নেব।